বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর মাতা র নাম সায়েরা খাতুন এবং তার পিতার নাম শেখ লুৎফর রহমান। ১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩১ শে মার্চ জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের মাতা সায়েরা খাতুন মারা যান। শেখ মুজিবুর রহমানের পিতা এবং সায়েরা খাতুনের স্বামী তার একদিন পূর্বেই ১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ শে মার্চ মারা যান। হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাঙালি শেখ মুজিবুর রহমানের মাতাকে সমাহিত করা হয় গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় তার বাবার সাথে। শেখ মুজিবের মাতার কাছে তার প্রিয় ছেল ছিল খোকা। খোকা হল শেখ মুজিবুর রহমানের ডাক নাম। খোকা ভিবিন্ন সময় তা প্রিয় মায়ের কাছে বিভিন্ন আবদার নিয়ে যেত। বাঙ্গবন্ধুর মা ও চেষ্টা করতে তার আদরের ছেলের আবদার মেঠাতে, কখনও পারতেন আবার কখনও পারতেন তা। তার পরও তার প্রিয় খোকা কখনও অভিমান করতেন না।
বঙ্গবন্ধুর মাতা কী ভেবেছিল তার ছেলে একটি দেশ স্বাধীন করবে?
বঙ্গবন্ধুর মাতা সায়েরা খাতুন গর্বিত কারণ গর্ভেই জন্ম নিয়েছেন বাঙালির ইতিহাদের মহা নায়ক সর্বকালের সর্বশ্রষ্ঠ বাঙালি শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি কখন ভাবেনি তার ঘরেই জন্ম নিবে এই মহান নেতা। যিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতে যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়ে বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছে। তার হাত ধরেই বাঙালি জাতি পেয়েছে একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ। যেখানে মানুষ স্বাধীন নিস্বাস নিতে পারে আপন মনে। বঙ্গবন্ধুর মাতা সায়েরা খাতুন তার খুব ভাসবাসার ছেলে মহান নেতা শেখ মুজিবকে সবসময় সাহস যুগিয়েছিলেন। তাদের মা ও ছেলের মধ্যে ছিল এক অসাধারণ সম্পর্ক, যা কোন ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না।
শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার দাদি ছিল সায়েরা খাতুন
বাংলাদেশের প্রথম সারির নাগরিক সবার প্রিয় শেখ রেহানা বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের মাতা সায়েরা খাতুনের ছোট নাতি। সায়েরা খাতুনের বড় নাতি হল দেশের বরেণ্য রাজনীতিবিদ শেখ হাসিনা। যিনি বাবা শেখ মুজিবুর রহমানের মতই প্রভাবশালো রাজনিতিবিদ। তিনি সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য দিন রাত এক করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে দাপটের সাথে। সায়রা খাতুনের ছোট নাতি শেখ রেহানা রাজনীতি না করলেও দেশের মানুষের কাছে খুবই প্রিয়। তিনি সুযোগ পেলেই সাধারণ মানুষের কাছে ছুটে যায়, তাদের ভিবিন্ন আবদার মেটাতে চেষ্টা করেন। সায়রা খাতুনের নাতিদের ছেলে মেয়েরা ও নিজ নিজ জায়গায় প্রতিষ্টিত।